বন অধিদপ্তরে ফরেস্টার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Bangladesh Forest Department Forester Job Circular 2026


বাংলাদেশের সরকারি চাকরির বাজারে নতুন সুযোগ নিয়ে হাজির হয়েছে বন অধিদপ্তর।  Forester Job Circular 2026 প্রতিবছরই হাজারো প্রার্থী স্বপ্ন দেখেন সরকারি চাকরির, আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার একটা দুর্দান্ত সুযোগ এসেছে এবারের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে। বন অধিদপ্তরের অধীনে বন সংরক্ষণ কার্যালয়ে ফরেস্টার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

বন অধিদপ্তর কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বনায়নের ক্ষেত্রে বন অধিদপ্তর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দেশের সবুজায়ন, বৃক্ষরোপণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বন বিভাগ, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ এ অবস্থিত এই অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.bforest.gov.bd থেকে সকল তথ্য পাওয়া যায়।

বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ দূষণ যখন বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন বন অধিদপ্তরের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা শুধু একটি চাকরি নয়, বরং দেশসেবার একটি মহান সুযোগ। এখানে কাজ করে আপনি সরাসরি পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখতে পারবেন।

পদের মূল দায়িত্ব কী হবে?

ফরেস্টার হিসেবে নিয়োগ পেলে আপনার প্রধান কাজ হবে বন সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম তদারকি, বন্যপ্রাণী রক্ষা এবং বনাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়াও বনায়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বন আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের সাথে সমন্বয় সাধনও এই পদের অন্তর্গত।

আবেদনের যোগ্যতা: কারা আবেদন করতে পারবেন?

যেকোনো সরকারি চাকরিতে আবেদনের পূর্বে যোগ্যতা জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বন অধিদপ্তরের এই নিয়োগে আবেদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলতে হবে:

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আবেদনকারীকে অবশ্যই স্বীকৃত কোনো বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এটি ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা। তবে যাদের ডিগ্রি বা উচ্চতর ডিগ্রি আছে তারাও অবশ্যই আবেদন করতে পারবেন এবং তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।

বয়সসীমা

আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছর থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সে ছাড় পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শারীরিক যোগ্যতা

ফরেস্টার পদে চাকরির বিশেষত্ব হলো মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হয়। তাই প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিকভাবে সুস্থ ও কর্মক্ষম হতে হবে। চিকিৎসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, আপনাকে বনাঞ্চলে দীর্ঘসময় হাঁটাচলা করতে হতে পারে এবং কখনো কখনো দুর্গম এলাকায় কাজ করতে হতে পারে।

আবেদন প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ গাইড

অনলাইন যুগে সরকারি চাকরিতে আবেদন এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। বন অধিদপ্তরের এই নিয়োগেও অনলাইনে আবেদন করতে হবে।




কীভাবে আবেদন করবেন?

প্রথম ধাপ: বন অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.bforest.gov.bd ভিজিট করুন। হোমপেজে গেলেই আপনি ক্যারিয়ার বা নিয়োগ সংক্রান্ত অপশন দেখতে পাবেন।

দ্বিতীয় ধাপ: অনলাইন আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করার পর নির্দেশনা অনুসরণ করে রেজিস্ট্রেশন করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।

তৃতীয় ধাপ: সকল তথ্য পূরণের পর আপনার সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং স্বাক্ষরের স্কান কপি আপলোড করুন। ছবি অবশ্যই সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে হতে হবে।

আবেদন ফি এবং পেমেন্ট পদ্ধতি - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এই নিয়োগে আবেদন করতে হলে আপনাকে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ফি জমা দিতে হবে। অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন পেমেন্টের কথা ভাবলেও এই নিয়োগে সেই সুবিধা নেই।

ট্রেজারি চালান কী?

ট্রেজারি চালান হলো সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যা এখনও অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়।

ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে কীভাবে ফি জমা দেবেন?

ধাপ ১: আপনার নিকটস্থ যেকোনো সোনালী ব্যাংক শাখায় যান। সোনালী ব্যাংক সরকারি ট্রেজারি চালান গ্রহণ করে থাকে।

ধাপ ২: ব্যাংক থেকে একটি ট্রেজারি চালান ফরম সংগ্রহ করুন। অনেক সময় ব্যাংকের কাউন্টারে এই ফরম পাওয়া যায়।

ধাপ ৩: চালান ফরমে সঠিকভাবে তথ্য পূরণ করুন:

  • আপনার নাম
  • ঠিকানা
  • জমার উদ্দেশ্য (বন অধিদপ্তর ফরেস্টার পদে আবেদন ফি)
  • জমার পরিমাণ
  • অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য

ধাপ ৪: নির্ধারিত ফি জমা দিন। সাধারণত সরকারি চাকরিতে আবেদন ফি ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে সঠিক পরিমাণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকবে।

ধাপ ৫: টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক আপনাকে ট্রেজারি চালানের একটি কপি দেবে। এতে একটি চালান নম্বর থাকবে।

ধাপ ৬: এই চালান নম্বরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের সময় এই চালান নম্বর এবং তারিখ প্রদান করতে হবে।

ধাপ ৭: ট্রেজারি চালানের কপি অবশ্যই নিরাপদে সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে যেকোনো সমস্যা সমাধানে এটি প্রয়োজন হতে পারে।

ট্রেজারি চালানে কী কী তথ্য থাকবে?

একটি সম্পূর্ণ ট্রেজারি চালানে নিম্নলিখিত তথ্য থাকে:

  • চালান নম্বর
  • জমাদাতার নাম ও ঠিকানা
  • জমার তারিখ
  • জমার পরিমাণ
  • ব্যাংকের সিল ও স্বাক্ষর
  • ট্রেজারি কোড নম্বর
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

১. ভুল তথ্য পূরণ করবেন না: ট্রেজারি চালানে একবার ভুল তথ্য দিলে তা সংশোধন করা খুবই কঠিন। তাই সাবধানে পূরণ করুন।

২. চালানের কপি হারাবেন না: এই কপি আপনার পেমেন্টের একমাত্র প্রমাণ। হারিয়ে গেলে নতুন কপি পেতে অনেক ঝামেলা হতে পারে।

৩. চালান নম্বর সঠিকভাবে লিখুন: অনলাইন আবেদনে চালান নম্বর ভুল দিলে আপনার আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

৪. সময়মতো জমা দিন: আবেদনের শেষ তারিখের আগেই ট্রেজারি চালানে ফি জমা দিন। শেষ মুহূর্তে ব্যাংকে ভিড় হতে পারে।

৫. সোনালী ব্যাংক ছাড়া অন্য ব্যাংকে যাবেন না: সব ব্যাংক ট্রেজারি চালান গ্রহণ করে না। সোনালী ব্যাংকে গেলে নিশ্চিত থাকবেন।

অনলাইন আবেদন সম্পূর্ণ করা

ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার পর:

ধাপ ১: www.bforest.gov.bd ওয়েবসাইটে লগইন করুন।

ধাপ ২: আবেদন ফরমের পেমেন্ট সেকশনে গিয়ে ট্রেজারি চালান নম্বর, তারিখ এবং ব্যাংকের নাম প্রদান করুন।

ধাপ ৩: যদি সম্ভব হয়, ট্রেজারি চালানের একটি স্কান কপি আপলোড করুন।

ধাপ ৪: সবশেষে আবেদন ফরম সাবমিট করার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন এবং প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করুন।

আবেদনের সময়সীমা

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন করা যাবে ০৭ মে ২০২৬ তারিখ থেকে। শেষ তারিখ সম্পর্কে ওয়েবসাইটে নজর রাখুন এবং শেষ মুহূর্তে আবেদন এড়িয়ে চলুন।

পরীক্ষা পদ্ধতি: কী ধরনের পরীক্ষা হবে?

ফরেস্টার পদে নিয়োগের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা প্রক্রিয়া রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী পরীক্ষা হবে লেভেল-১ অনুযায়ী।

লিখিত পরীক্ষা

প্রথমেই আপনাকে একটি লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই পরীক্ষায় সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন থাকে। বনবিদ্যা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নও আসতে পারে।

পরীক্ষায় ভালো করতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন এবং অনুশীলন জরুরি। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করলে পরীক্ষার ধরন সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায়।

মৌখিক পরীক্ষা

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হবে। এই পর্যায়ে আপনার ব্যক্তিত্ব, উপস্থিত বুদ্ধি, বনবিদ্যা সম্পর্কে জ্ঞান এবং চাকরি সম্পর্কে আগ্রহ যাচাই করা হয়।

মৌখিক পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন। প্রশ্নের উত্তর না জানলে অনুমানে কথা না বলে সততার সাথে জানান যে আপনি জানেন না।

শারীরিক দক্ষতা পরীক্ষা

যেহেতু এটি একটি মাঠপর্যায়ের কাজ, তাই শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষাও হতে পারে। এতে দৌড়, হাঁটা বা অন্যান্য শারীরিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখুন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন যাতে এই পরীক্ষায় ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারেন।

নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

আবেদনের পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জেনে নেওয়া আবশ্যক:

কোটা সুবিধা

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কোটা সুবিধা রয়েছে:

১. মুক্তিযোদ্ধা কোটা: মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং মুক্তিযোদ্ধার পৌত্র-পৌত্রীদের জন্য বিশেষ কোটা সুবিধা রয়েছে।

২. মহিলা কোটা: নারী প্রার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকে।

৩. প্রতিবন্ধী কোটা: শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী কিন্তু কর্মক্ষম প্রার্থীদের জন্য কোটা সুবিধা আছে।

৪. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকে।

৫. জেলা কোটা: নির্দিষ্ট জেলার প্রার্থীদের জন্য কিছু আসন সংরক্ষিত করা হয়।

আবেদনের সময় যদি আপনি কোটার আওতায় পড়েন, তাহলে সঠিক কোটা নির্বাচন করুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন।

পোস্টিং সংক্রান্ত তথ্য

নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে পোস্টিং দেওয়া হতে পারে। বনাঞ্চল সাধারণত দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত।

সুন্দরবন, চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনাঞ্চল, সিলেটের চা-বাগান এলাকা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ির বনভূমি - যেকোনো জায়গায় আপনার পোস্টিং হতে পারে। তাই বদলি এবং বিভিন্ন স্থানে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা

নিয়োগের পর নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণে বন সংরক্ষণ, বন আইন, বন্যপ্রাণী রক্ষা, আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে শেখানো হয়।

প্রশিক্ষণকালীন সময়ে বেতন-ভাতা পাওয়া যায় এবং এটি সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত হতে পারে।

ফরেস্টার চাকরির সুবিধা ও সম্ভাবনা

সরকারি চাকরির অনেক সুবিধা রয়েছে, বিশেষত বন অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে।

প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?

পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য সঠিক প্রস্তুতি অপরিহার্য।

পড়াশোনার কৌশল

বাংলা: ব্যাকরণ অংশে জোর দিন। সন্ধি, সমাস, কারক-বিভক্তি, প্রত্যয়, বানান শুদ্ধি এগুলো ভালোভাবে শিখুন। সাহিত্য অংশে বিখ্যাত লেখক-কবিদের জীবনী এবং তাদের রচনা সম্পর্কে জানুন।

ইংরেজি: Grammar এ Parts of Speech, Tense, Voice, Narration ভালো করে শিখুন। Vocabulary বাড়ান প্রতিদিন নতুন শব্দ শিখে। Reading comprehension এর জন্য ইংরেজি পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করুন।

গণিত: পাটিগণিতে লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, অনুপাত, সমানুপাত ভালো করে আয়ত্ত করুন। বীজগণিতে সূত্র মুখস্থ রাখুন এবং জ্যামিতিতে মৌলিক সূত্র জানুন। শর্টকাট টেকনিক শিখুন যাতে দ্রুত সমাধান করতে পারেন।

সাধারণ জ্ঞান:

  • বাংলাদেশ বিষয়াবলী: মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, সংবিধান, ভৌগোলিক অবস্থান, নদ-নদী, খনিজ সম্পদ
  • আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী: জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিশ্বের দেশ ও রাজধানী
  • সাম্প্রতিক ঘটনা: প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়ুন
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: মৌলিক বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানুন

বনবিদ্যা ও পরিবেশ:

  • বাংলাদেশের বনভূমির ধরন (ক্রান্তীয়, পত্রপতনশীল, ম্যানগ্রোভ)
  • সুন্দরবন সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান
  • বন্যপ্রাণী (রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, কুমির ইত্যাদি)
  • বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব
  • জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব
  • পরিবেশ আইন

সময় ব্যবস্থাপনা

একটি কার্যকর স্টাডি রুটিন তৈরি করুন:

  • সকাল ৬টা-৮টা: গণিত অনুশীলন
  • সকাল ৯টা-১১টা: বাংলা ও ইংরেজি
  • বিকাল ৪টা-৬টা: সাধারণ জ্ঞান
  • রাত ৮টা-১০টা: রিভিশন এবং মডেল টেস্ট

সপ্তাহে অন্তত একদিন বিশ্রাম নিন। অতিরিক্ত চাপ নেবেন না।

মডেল টেস্ট

নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দিন। এতে:

  • পরীক্ষার চাপ সামলানোর ক্ষমতা বাড়বে
  • সময় ব্যবস্থাপনা শিখবেন
  • দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করতে পারবেন
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে

স্টাডি গ্রুপ

কয়েকজন বন্ধু মিলে স্টাডি গ্রুপ তৈরি করুন। একসাথে পড়াশোনা করলে:

  • জটিল বিষয় সহজে বোঝা যায়
  • একে অপরকে উৎসাহিত করতে পারেন
  • বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয় শিখতে পারবেন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনের সময় এবং পরীক্ষার সময় নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

অনলাইন আবেদনের জন্য:

  • এসএসসি এবং এইচএসসি সনদপত্রের স্কান কপি
  • জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি
  • স্বাক্ষরের স্কান কপি
  • ট্রেজারি চালানের স্কান কপি
  • কোটার ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র

পরীক্ষার সময়:

  • প্রবেশপত্র (অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা)
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
  • সকল সনদপত্রের মূল এবং ফটোকপি
  • ট্রেজারি চালানের মূল কপি

সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলুন

অনেক প্রার্থী আবেদনের সময় বা পরীক্ষার সময় কিছু সাধারণ ভুল করে থাকেন:

১. শেষ মুহূর্তে আবেদন: সার্ভার ব্যস্ত থাকে, তাই সময় নিয়ে আবেদন করুন।

২. ট্রেজারি চালান হারানো: এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল, নিরাপদে রাখুন।

৩. ছবির মান খারাপ: উচ্চ মানের ছবি ব্যবহার করুন, ঝাপসা ছবি গ্রহণযোগ্য নয়।

৪. তথ্য পূরণে ভুল: নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম সঠিক লিখুন।

৫. মোবাইল নম্বর ভুল দেওয়া: যোগাযোগের জন্য সঠিক নম্বর দিন।

৬. ইমেইল চেক না করা: নিয়মিত ইমেইল চেক করুন, পরীক্ষার তারিখ ইমেইলে আসতে পারে।

৭. প্রস্তুতি দেরিতে শুরু করা: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রস্তুতি শুরু করুন।

পরীক্ষার দিনের টিপস

পরীক্ষার দিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন:

১. আগের রাতে ভালো ঘুম: কমপক্ষে ৭-৮ঘন্টা ঘুমান।

২. সময়মতো পৌঁছান: পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছান।

৩. প্রয়োজনীয় জিনিস নিন: কলম (অতিরিক্ত), পেন্সিল, রাবার, প্রবেশপত্র, পরিচয়পত্র।

৪. হালকা খাবার খান: পেট ভরে খাবেন না, হালকা পুষ্টিকর খাবার খান।

৫. মানসিক চাপ নেবেন না: আত্মবিশ্বাসী থাকুন, পারবেন।

৬. প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ুন: তাড়াহুড়ো না করে মনোযোগ দিয়ে প্রশ্ন পড়ুন।

৭. সহজ প্রশ্ন আগে করুন: যে প্রশ্ন পারেন সেগুলো আগে উত্তর দিন।

যোগাযোগের ঠিকানা

কোনো সমস্যা বা জিজ্ঞাসার জন্য বন অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন:

ঠিকানা: বন বিভাগ আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর ঢাকা-১২০৭

ওয়েবসাইট: www.bforest.gov.bd

ইমেইল: বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করুন

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করে আপডেট তথ্য জেনে নিন। ফেসবুক পেজেও গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ দেওয়া হতে পারে।

0 Comments

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post